মিরসরাইয়ে পৃথক দুই স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে ও সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের জোরারগঞ্জ ও বারইয়ারহাট এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। সীতাকুন্ড রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশরাফ সিদ্দিকী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, বিকেল ২টার দিকে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাপাহাড় এলাকায় চট্টগ্রামুখী রেললাইনের ডাউন লেনে খতিজা বেগম (৫৫) নামে এক নারী ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত খতিজা সোনাপাহাড় এলাকার একটি দরগা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় তার মৃত্যু হয়। নিহত খতিজা বেগম উপজেলার ৮ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের মোহাম্মদ হানিফের স্ত্রী।
অন্যদিকে একই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে বারইয়ারহাট কলেজ গেইট এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় আনুমানিক ২৫ বছর বয়সী এক যুবক নিহত হন। দুর্ঘটনায় তার দেহের বিভিন্ন অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, ফলে তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর রেলওয়ে পুলিশ দুই মরদেহ উদ্ধার করেন।
সীতাকুন্ড রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশরাফ সিদ্দিকী জানান, জোরারগঞ্জের দক্ষিণ সোনাপাহাড় এলাকায় এক নারী ও সন্ধ্যায় বারইয়ারহাট কলেজ গেইট এলাকায় অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবক ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হয়েছেন। খতিজা বেগম নামে নারীর মরদেহ আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় রবিবার (১৯ অক্টোবর) বিকলে পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এনআইডি কার্ড দিয়ে পরিচয় সনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে। মরদেহ পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।