শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (২ নভেম্বর) ভোরে বিলাসপুর ইউনিয়নের চেরাগ আলী বেপারিকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটনায় সন্ত্রাসীরা। এতে কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানাগেছে।হতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন বেপারী ও একই এলাকার তাইজুল ইসলাম ছৈয়াল মধ্যে আজকের র্সংর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মেম্বার নাসির উদ্দিন বর্তমান চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারীর অনুসারী আর তাইজুল স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আবদুল জলিল মাতবরের অনুসারী। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় বুধাইরহাট এলাকায় তাদের সমর্থকদের মধ্যে ছোটখাট বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটে, এতে আজকের সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, বিলাসপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুটি পক্ষ নাশকতা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়ে আসছিল। যদিও সম্প্রতি বিষয়টি কিছুটা শান্ত হয়, শনিবার ও রবিবার আবারও ইউপি সদস্য নাসির বেপারী ও তাইজুল ইসলামের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। এই সংঘর্ষে দুজন আহত হয়েছেন। যারা এ ধরনের নাশকতার সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে এখনো কোনো মামলা হয়নি।
এর আগে চলতি বছর ৫ এপ্রিল বিলাসপুরে একই ধরনের ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় বিলাসপুরের কুদ্দুস বেপারী ও আবদুল জলিল মাদবরের সমর্থকদের সংঘর্ষে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। এতে কুদ্দুস বেপারী ও আবদুল জলিল দুজনেই কারাগারে ছিলেন। সম্প্রতি কুদ্দুস জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। তবে এখনো আবদুল জলিল কারাগারে রয়েছেন।