ভূমিকম্পে দেশের বিভিন্ন জেলায় এখন পর্যন্ত ২০৮ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ জন মারা গেছেন। শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে ভবন থেকে লাফ দেওয়া, সিঁড়ি দিয়ে দৌড়াদৌড়ি কিংবা ভিড়ের কারণে অনেকেই আঘাত পেয়েছেন বলে জানাগেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহের পরিচালক ডা. মঈনুল আহসান বলেন, ‘সব হাসপাতালে জরুরি বার্তা দেওয়ার হয়েছে। আহতদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সব সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। টেলিফোনে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে—ঢাকাসহ গাজীপুর, নরসিংদী ও আশপাশের জেলাগুলোর বিভিন্ন হাসপাতালে আহত রোগীর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়।
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভূমিকম্পে ৩ জন মারা গেছেন। নিহতদের একজন প্রতিষ্ঠানটির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাফিউল ইসলাম। আহত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন আরও ১০ জন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) ১৮ জন আহত রোগী ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আরও রোগী আসতে পারে। তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: গাজীপুর সবচেয়ে বেশি রোগী চাপ সামলাচ্ছে এই হাসপাতাল। এখন পর্যন্ত ৭২ জন আহত—এর মধ্যে ৪৯ জন ভর্তি, ২৩ জন প্রাথমিক চিকিৎসা পেয়েছেন।
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: এখানে চিকিৎসা নিয়েছেন ৫৩ জন। ৬ জনকে রেফার করা হয়েছে এবং ১৫ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। নরসিংদী জেলা হাসপাতাল: আহত ৪৫ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ৩ জনের অবস্থা গুরুতর, তাদের ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়েছে। ১০০ শয্যার হাসপাতাল: এখানে ১০ জন আহত অবস্থায় ভর্তি হয়েছেন।