আজ শনিবার, ২ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

মীরসরাইয়ে আগুনে পুড়ে ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি, আহত-১

মীরসরাইয়ে অগ্নিকান্ডে বসতঘর পুড়ে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। এই ঘটনায় নুরুল কবির (৬২) নামে একজন আহত হয়েছে। খবর পেয়ে মীরসরাই ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা এসে প্রায় ২ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার মিঠানালা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মিঠানালা গ্রামের আব্দুল লতিফ সারেং বাড়িতে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
এদিকে অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও মীরসরাই আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী মো. নুরুল আমিন। তিনি তাৎক্ষণিক ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর মাঝে আর্থিক সহায়তা দান করেন।
অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হলো, নুরুল কবির, নুরুল ইসলাম, মো. শামীম, দিল মোহাম্মদ, জসিম উদ্দিন, মো. হোসাইন, ইসমাইল, আব্দুর রহিম। আগুন লাগার পর ঘর থেকে বের হতে গিয়ে নুরুল কবির আহত হন। তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্থ নুরুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন বলেন, ‘কিভাবে আগুন লেগেছে কিছুই বুঝতেছিনা। আগুনে আমাদের নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, জমির কাগজপত্রসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।’
তারা আরও বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের ঘড়িমসির কারণে আমরা আগুন থেকে কিছুই রক্ষা করতে পারি নাই।’
আরেক ক্ষতিগ্রস্থ আলা উদ্দিন বলেন, ‘মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে চড়িয়ে পড়ে। এতে একে সবার ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা যথাসময়ে আসে নাই। তারা আগুন লাগার প্রায় ১ ঘন্টা পর আসছে। তারা যথাসময়ে আসলে অনেক জিনিসপত্র রক্ষা করা যেতো। আগুনে আমরা পথের ফকির হয়ে গেছি। পরণের কাপড় ছাড়া কিছুই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। এতে আমাদের অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই বাড়ির একাধিক বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আব্দুর রহিমের রান্না ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। অনেকে বলছেন ছোট বাচ্চা ছেলে একটা গ্যাস লাইট ফুটানোর কারণে এই অগ্নিকান্ড ঘটেছে। অনেকের ধারণা বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে।
মীরসরাই ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশনের স্টেশন অফিসার আহম্মেদ হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমাদের দুটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। রাস্তা খারাপ থাকায় আমাদের আসতে একটু সময় লেগেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তাধীন।

Share and Enjoy !

Shares