ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। রোববার (১ মার্চ) সকালে ইরানের রাষ্ট্র্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ খবর প্রচার করা হয়। খবর বিবিসি ও সিএনএনের।
এক আবেগঘন ঘোষণায় জানানো হয়, খামেনির মৃত্যুতে দেশজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার পর খামেনির মৃত্যুর দাবি তুলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সে সময় ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং ইরানে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসলামি প্রজাতন্ত্র। এরপর থেকেই দেশটিতে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসনব্যবস্থা চালু রয়েছে।
ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইরান দুজন সুপ্রিম লিডার পেয়েছে। ‘আয়াতুল্লাহ’ উপাধিটি শিয়া মুসলমানদের কাছে একজন উচ্চপর্যায়ের ধর্মীয় নেতাকে বোঝায়। সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করতেন। তার মৃত্যু ইরানের রাজনীতি ও আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।